Mayawati fountain মায়াবতি ঝর্না জাফলং:

মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) মায়ামোহে ছুটে আসা হাজার হাজার ভ্রমন বিলাসীদের পরিতৃপ্তি আর আর প্রশান্তির নাম । মেঘালয়ের কান্নার জলে গা ভাসিয়ে পর্যটকরা যেন ক্লান্তি ঝেরে শান্তি খোজে । নান্দনিক অ্যাডভেঞ্চারের নাম মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) ।

সাম্প্রতিককালে সিলেটে ঘুরে দেখার মত আরো কিছু নতুন দর্শনীয় স্থান উন্মোচিত হয়েছে। তেমনই একটি হলো সংগ্রামপুঞ্জি বা সেনগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা বা মায়াবী ঝর্ণা অথবা মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) এবং আরেকটি হলো উৎমাছড়া। জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১৫-২০ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত এ ঝর্ণাটি ভারতের সীমান্তে পড়েছে। তবে বিএসএফের প্রহরায় চাইলেই বাংলাদেশীরা এ ঝর্নার চূড়া পর্যন্ত উঠতে পারে।

The Mayawati fountain is the name of the pleasure and satisfaction of the thousands of tourists. Travelling in Meghalaya’s weeping waters, the tourists find peace in exhaustion. The name of the aesthetic adventure is Mayawati fountain.

মায়াবতির অ্যাডভেঞ্চারঃ

mayawati-adventure-jaflong

পাহাড়ের গা-বেয়ে বেশ কয়েকটি ধারায় নেমে আসছে দুগ্ধ সাদা পানির স্রোত। কখনো সবুজ ঝোপের ভেতর দিয়ে, কখনোবা নগ্ন পাথরের বুক চিরে নেমে আসে এ পানি। ঝরনার জল এসে জমা হয়ে ছোট্ট পুকুরের মতো সৃষ্টি হয়েছে, যার তিন দিকেই রয়েছে বড় বড় পাথরের চাই। চাইলে সেই শীতল জলে ডুবে থাকতে পারেন অথবা করতে পারেন চূড়ায় ওঠার অ্যাডভেঞ্চার।

মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) এর সৌন্দর্য্যের ধাপঃ

মায়াবতির-ধাপ-myawati-fountain-jaflong

কয়েক ধাপবিশিষ্ট এমন ঝর্না কমই দেখতে পাওয়া যায়। ঝর্ণার খানিকটা দূর থেকেই এর মেঘালয়ের পাহাড় বেয়ে বয়ে যাওয়ার গর্জন কানে আসবে। সামনে যেতেই চোখে পড়বে গাছ, পাথর আর পানির অপূর্ব মেলবন্ধন।
ঝর্ণার তৃতীয় ধাপ থেকে কিছু পানি নিচে গড়িয়ে পড়ে, আর কিছু চলে যায় বাম দিকের সুড়ঙ্গে। সুড়ঙ্গমুখের কিছুটা অংশ পর্যন্ত দৃষ্টি চলে, বাকিটা অন্ধকার। সুড়ঙ্গ পথের কোনো হদিস কারো জানা নেই। ঠাঁই পাওয়া যায় না বলে ওই পথে যাওয়া সম্ভব নয়। পিচ্ছিল পাথর আর পানি টপকে উপরে উঠতে চাই সাহস, সতর্কতা আর অবশ্যই ভালো গ্রিপের জুতা।

মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) ভ্রমন ও প্যাকেজঃ

ভ্রমণে যতো বেশীজন মিলে যাবেন, খরচ ততটাই কমে আসবে। সিলেট শহর থেকে আপনি অনেকভাবেই জাফলং যেতে পারেন, সিএনজি/টেম্পু/বাস/মাইক্রোবাসে করে। সময় লাগতে পারে ২ থেকে ২.৩০ ঘন্টা। আর ভাড়া সিএনজির (৪-৫ জন) ক্ষেত্রে হতে পারে ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা (দামাদামি করে নিতে হবে) আর অটো টেম্পুর (১০-১২ জন কমপক্ষে)।

ঘোরাঘুরি যেহেতু মূল উদ্দেশ্য, থাকাটা খুব বেশী গুরত্বপূর্ণ ধরা হয়না। চাইলে আপনারা এখানে কম খরচে হোটেল ব্যবস্থা করে নিতে পারেন তাতে টূরে অন্যন্য খরচে সহায়ক হতে পারে। এক্ষেত্রে অনুরোধ থাকবে জাফলং আসলে জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে একটি রাত থেকে যাবেন । রিসোর্টের তুলনায় অনেক কম দামে আপনি থাকতে পারবেন ।

মায়াবতি ঝর্না (Mayawati fountain) দেখে যা উপভোগ করেছেন Jaintia Hill Resort থেকে ভারতের মেঘালয় ঝর্না সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন । মেঘালয় ঝর্না প্রায় ৩০০০ হাজার ফুট উচু থেকে বহমান। এবং দুরত্ব হচ্ছে প্রায় ৩ কিলোমিটার। কিন্তু আশ্চর্য্য হবেন “Jaintia Hill Resort” থেকে মনে হবে একেবারেই হাতের কাছে ।

mayawati-fountain-travel

Summary:

দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশখ্যাত ওলিকুল শিরোমণি হয়রত শাহজালাল ইয়ামনি (রহ.) ও হযরত শাহপরান ইয়ামনি (রহ.) স্মৃতি বিজড়িত পুণ্যভূমি সিলেটের আনাচে কানাচে রয়েছে অগণিত পর্যটন স্পট। জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট, লালাখাল, ফাটাছড়া, পান্তুমাই মায়াবতি ঝর্ণা, পাহাড়টিলাময় মালনিছড়া চা বাগান, মাধবকুণ্ড জলপ্রভাত, চায়ের রানী শ্রীমঙ্গলের অবস্থানও সিলেট বিভাগে।

সিলেট বিভাগের এসব পর্যটন স্পটে বছরজুড়েই ঢল নামে লাখ লাখ ভ্রমণ পিয়াসী পর্যটক দর্শণার্থীর। নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের অপার ভাণ্ডার সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোকে স্রষ্টা যেন আপন হাতে সাজিয়েছেন। নজর কাড়া, স্নিগ্ধ মনোরম পরিবেশে শোভিত এখানাকার সবকটি পর্যটন স্পট।

প্রকৃতির নান্দনিকতার অপরুপ সাজে শোভা পাচ্ছে প্রতিটি স্থান। পাহাড়, টিলা, গাছপালা, নদী, পাখির গান, নদীর কলতান প্রকৃতির চির সবুজ রূপ লাবণ্যতার মাঝে জড়িয়ে রয়েছে প্রতিটি পর্যটন স্পট। দেশ-বিদেশের ভ্রমণ পিয়াসী মানুষের ভিড়ে সারা বছরই প্রতিটি স্পটই থাকে লোকে লোকারণ্যময়
এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো, যদি দুদিনের সফরের জন্য প্রস্তুত থাকেন এবং জাফলংবিছানাকান্দি ভ্রমনের উদ্দেশ্য থাকে তাহলে অবশ্যই অনুরোধ করবো আগে জাফলং যাবার জন্য এবং এর পাশের মায়াবতি ঝর্ণা ভ্রমণের জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here